দিশা'র সন্ধানে
আমার আসমানী রংয়ের
'আকাশ ঘর'?
চিনবে, তোমারা চিনবে,
নিশ্চয়ই চিনবে ।
সূর্য যখন চড়বে,
আমার ঘরের চালে
থালার সাজে,
বলবে তোমরা,
"হলো ভোর
যাত্রা হলো শুরু"।
সারাদিন সূর্য মেঘে
লুকোচুরি খেলা
আমায় ঘিরে
আমার আকাশ ঘরে,
নেই কোনো শঙ্কা,
নেই কোনো লাজ,
নেই কোনো নিন্দা,
নেই কোনো ডর।
এরই মাঝে কখনো,
বাদল ছুঁয়ে গেলে,
আবছা সাজে জল ছবিতে
সাজবে, আমার ঐ
আকাশ ঘর,
দেখবে, তোমরা দেখবে,
চিনবে, নিশ্চয়ই চিনবে।
সূর্য যখন পড়বে ঢলে
আকাশ ঘরের দাওয়ায়
রক্তিম কোমল বেশে,
চাঁদ তখন মারবে উঁকি
আকাশ ঘরের চালে,
তারারা আঁধার কেটে,
হীরের জ্যোতি গায়ে সেঁটে,
হাজির হবে আকাশ জুড়ে,
রূপসী রূপের সম্মোহনে
কাড়বে নজর নির্বিকারে,
এমনই সাধের ঐ আকাশ ঘর,
দেখবে, তোমরা দেখবে,
নিশ্চয়ই দেখবে।
আকাশ ঘর আমার,
পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ,
সব দিকে তেই সোজা,
মুখ ঘোরালেই দেখবে,
বিছিয়ে নীচে,
বিচিত্র এক জগত ,
এক পারে তে, ছুটছে মানুষ
অপর পারে, গভীর নিদ্রায়
রাত্রি যাপন।
অক্লান্ত পরিশ্রমে,
সময়কে সাক্ষী রেখে,
গড়ছে মানুষ
সভ্যতার নিদর্শন,
আবার কেউবা লিপ্ত
ধ্বংস লীলায়
বেজায় বিদ্বেষে।
সুখ নেই, সুখ নেই কোথাও
ভাবছে সবাই অহরহ,
"কোথায় পাবো তারে
কোন অচীন দেশে"
স্বস্তির এক শান্ত ঠিকানা
আমার ঐ আকাশ ঘর,
চিনবে, চিনবে, দেখলেই
চিনবে, নিশ্চয়ই চিনবে।
এবার আমায় যেতে হবে
ঐ সাধের আকাশ ঘরে,
থাকবে পড়ে তোরঙ্গ খানি,
বেড়িয়ে যে আমি
থাকবে তাতে থরে থরে,
আশা আকাঙ্খার আপ্লুত সঞ্চয়,
ভাবনা, ভয়, ভীতি, নিয়েছে ছুটি,
আমার আমিত্ব ছেড়েছে আমায়,
আলগা হয়েছি আমি।
চাইলে, আসতেই পারো
ঐ আকাশ ঘরে,
শান্তির বাতাবরণে
দিশা'র সন্ধানে।।সমানী
রংয়ের আকাশ ঘর,
ঐ আকাশ পথে,
চিনবে, তোমার চিনবে,
নিশ্চয়ই চিনবে।।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন