স্বপ্নের সৈকতাবাস ইওরহোম
//স্বপ্নের সৈকতাবাস ইওরহোম// ইচ্ছে করে ছুটে যাই একবার পুরীর সমুদ্র সৈকতে গ্রীষ্ম অবসরে, পাঁচ দশক আগে শেষ দেখা স্বপ্নের সৈকতাবাস "ইওরহোম", শ্বেত প্রাসাদের আঁচল আগলে শ্যামলা গায়ে শৈলেন-অনুপমা স্নেহে দাঁড়িয়ে ছিল সে শান্ত দীপ্তিতে প্রাচীন ঐতিহ্যের ধ্বজা ধারনে। আমার কৈশোর বেলার স্মৃতি ধরা ছিল তার সুখের আঁচলে, শুনেছি সে আর নেই সেখানে, শ্বেতশুভ্র এক পান্থাবাস নিয়েছে দখল তার, ভাবিনি হারাবে সে এমন করে গোপনে আমার অজান্তে৷ কৈশোর বড় আপন হতে চায় টানে কাছে বার বার, ছুঁতে চায়, ফেলে আসা ছড়ানো সুখ স্মৃতি। জানতে ইচ্ছে হয়, কেমন আছে ওরা পেটচুক্তি ভুড়িভোজ চলছে কি আজও? লক্ষীটকিজের দরজায় সিরাপ সরবৎ, দূর্গাবাড়ির টেবিল টেনিস বোর্ড, মুচিসাহির সৌখিন হরিণ চামড়ার চপ্পল, আজও কি তেমনই, যেমন ছিল সেদিন। দোতলার বারান্দার এক কোনে, এলিয়ে আলস্যের আরাম-কেদারায়, অলস দৃষ্টিতে দেখা গেট পেরিয়ে রাস্তা, বাঁধানো পাড়, পা ঢাকা বালুকা পেরিয়ে সমুদ্দুরের অনন্ত জলরাশি, আড়ালে আকাশ। পূবের আকাশ রাঙিয়ে যায় স্নিগ্ধ রক্তিম আভায়, ভোর হয় হয়, মানুষের অলস পা ছেপে যায় আবর্তিত ঢেউয়ের তরতাজা ভেজা বালুচরে, ভীত ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন